
৪০ শতাংশ কাজ করতে গিয়ে পাইলিং, বেইজ ঢালাই, ওয়েং ওয়াল নির্মাণের কাজ উপজেলা এলজিআরডি অফিসের প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে নিম্নমানের সামগ্রিক (বালু, কংক্রিট, সিমেন্ট সহ বিভিন্ন অনিয়ম) দিয়ে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে উপজেলা এলজিআরডি অফিস কাজ বন্ধ করে দেয়। এর মধ্যে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ রাখা ও ২ থেকে ৪ জন দিয়ে বড় প্রকল্পের কাজ চালানো হয় বলে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অনন্ত আকাশ ত্রিপুরা এবং মেসার্স লোকমান হোসেন জেবি নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লোকমান হোসেনকে মোবাইলে একাধিক কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা এলজিআরডি অফিসের উপজেলা প্রকৌশলী আশিকুর রহমান ভূইয়া জানান, আমাদের প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে কাজ করায় এলাকাবাসী আমাদের খবর দিলে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। ঠিকাদারকে নিয়মিত বলা হচ্ছে দ্রুত ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন করতে।